Kolkata

খুব শীঘ্রই উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ ও কাউন্সেলিং! কেন? পড়ুন।

নজরবন্দি ব্যুরো: আইনি জটে আটকে উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। সেই নিয়োগ কবে হবে তার উত্তর না মিললেও, স্কুলশিক্ষা দপ্তর এর মধ্যে ঠিক শূন্যপদের হিসাব কষা শুরু করেছে। এর ফলে বিশেষজ্ঞ মহলের অনেকেই মনে করছেন, এবার হয়তো নিয়োগ সংক্রান্ত  আইনি সমস্যা মিটতে চলেছে, সেই কারণে প্রতি জেলা থেকে শূন্য পদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। কমিশনের অফিস থেকে চিঠি পাঠিয়ে D.I দের বলা হয়েছে, এই সপ্তাহের মধ্যে বুনিয়াদি স্থরে শূন্য পদের তালিকা জমা দিতে হবে। সব সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের এই নির্দেশিকা পাঠাতে বলা হয়েছে । ওই নির্দেশিকাতে কমিশন জানিয়েছে, শ্রেণী ভাগ করে শূন্য পদের সংখ্যা জানিয়ে তাঁরা যেন চূড়ান্ত তালিকা পাঠায়।
অনেক চাকরী প্রার্থী প্রশ্ন তুলছেন উচ্চ প্রাথমিকে আইনি জটিলতা কোথায়? সরকারি নির্দেশিকাতে বলা ছিল একই পে স্কেলে থাকা শিক্ষকরা এই পরীক্ষাতে বসতে পারবেন না। সেই ফতোয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কর্মরত শিক্ষকরা। আসলে অনেক কর্মরত শিক্ষক কাছাকাছি কোন স্কুলে বদলির জন্য এই সব পরীক্ষাতে বসেন। আর এই নির্দেশিকারর ফলে তাঁরা সমস্যাতে পড়েছিলেন। রাজ্য সরকার এই নিয়োগের ব্যাপারে শুধুমাত্র পার্শ্ব শিক্ষকদের সংরক্ষণের আওতায় রেখেছিলেন। কিন্তু শিক্ষাবন্ধু, শিক্ষা সহায়ক এবং শিক্ষা সম্প্রসারকদের একাংশ এই সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে মামলা করে। আর এর ফলে অনেকদিন আগে রেজাল্ট প্রকাশিত হলেও, ইন্টারভিউ ও কাউন্সেলিং করা যায়নি। মোট এই রকমের ১০৮ টি মামলা একত্রিত করে শুনানি চলছে। সূত্রের খবর,  ৩ টির শুনানি হবার কথা, তারপর রায় বেরোবে। এস এস সি- এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন ” আমরা রায় নিয়ে আশাবাদি”। তিনি এই বিষয়ে যুক্তি দিয়ে বোঝাতে গিয়ে বলেন,” পার্শ্ব শিক্ষকরা আসলে শিক্ষক, কিন্তু শিক্ষা বন্ধুরা তো আর শিক্ষক নয়।”
তাই তাঁরা সংরক্ষণ চাইলে কিভাবে তা দেওয়া যেতে পারে? সাংবিধানিক সংরক্ষণ যা সরকার দিতে বাধ্য। সেখানে সরকারের কিছু করার থাকেনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *