কেন্দ্রের মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানানো যাবে না সিপিআইএম করলে! নাকি……??

গতকাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার রদবদল সম্পন্ন হয়েছে।

একাধিক মন্ত্রীর পদন্নোতি সহ একাধিক নতুন মুখ স্থান পেয়েছে মন্ত্রীসভায়।
নতুন পূর্ণমন্ত্রীরা হলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, পীযূষ গোয়েল, নির্মলা সীতারামন ও মুখতার আব্বাস নাকভি।

এছাড়াও মন্ত্রিসভায় এলেন আরও ৯ জন নতুন মুখ।
নতুন ৯জন মন্ত্রীর মধ্যে ২ জন সাংসদ নন। তাঁরা হলেন প্রাক্তন আইএফএস হরদীপ পুরী ও প্রাক্তন আইএএস কে জে আলফোন্স। বাকি ৭ জন হলেন উত্তর কানাড়ার সাংসদ অনন্তকুমার হেগড়ে, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র সচিব ও আরার সাংসদ আর কে সিংহ, যোধপুরের সাংসদ গজেন্দ্র শেখাওয়াত, মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার ও বাগপতের সাংসদ সত্যপাল সিংহ, উত্তরপ্রদেশের রাজ্যসভা সাংসদ শিবপ্রতাপ শুক্ল, বক্সারের সাংসদ অশ্বিনী চৌবে ও টিকমগড়ের সাংসদ সাংসদ বীরেন্দ্র কুমার। যদিও এঁরা সকলেই প্রতিমন্ত্রী।
আর তার পরেই গোল বেধেঁছে সিপিআইএম অন্দর-বাহির দুই মহলেই! অবাক লাগলেও ঘটনাটা এমনই!
নতুন মন্ত্রীরা শপথ নেওয়ার পর
কেরলের মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিআইএম নেতা পিনারাই বিজয়ন তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের সম্পুর্ন ভিন্ন মেরুতে থাকা নতুন মন্ত্রীদের এবং “বন্ধু” প্রাক্তন আইএএস কে জে আলফোন্স কে ট্যুইট করে শুভেচ্ছা জানান!
img-20170903-wa0010

অন্যদিকে সিপিআইএম সাংসদ ঋতব্রত ব্যানার্জী ও ট্যুইট করে শুভেচ্ছা জানান “বিগ ব্রাদার” মুখতার আব্বাস নাকভি কে!
fb_img_1504502980855

আর যায় কোথায়! একের পর এক কুটুক্তি উঁকি দিতে শুরু করেছে সোস্যাল মিডিয়ার পাতায় পাতায়! আক্রমনের নিশানা করা হচ্ছে মূলত ঋতব্রত কে! একটু খতিয়ে দেখলে লক্ষ্য করা যাবে যে একটা শ্রেণি ঋতব্রতর সাসপেনশনে একটু বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিল তাদের একটু বেশিই আগ্রহ ঋতব্রতর ট্যুইট ঘিরে, অন্যদিকে পিনারাই বিজয়ন একই দোষে দুষ্ট! তাঁকে যেন একটু ছাড়ই দিচ্ছেন এই বামদরদী-রা! আবার অন্য একটা অংশ প্রতিবাদ করছেন এক যাত্রায় পৃথক ফল কেন? ঋতব্রত শুভেচ্ছা জানালেই দোষ! প্রসঙ্গ অন্য হলেও এখানে উঠছে আরও একটা প্রশ্ন। ঋতব্রতর শাস্তি ঠিক যে কারনে হল, সেই দোষে দুষ্ট সিপিআইএম দলে আর কেউ নেই তো? নাকি একই ভাবে ঋতব্রতকে ‘প্রোজেক্ট’ করে শাস্তি দেওয়া হল। নির্ভরযোগ্য সূত্র কিন্তু বলে “সার্চিং” করলে নাকি ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে!
তবে যাই হোক পার্টির অন্দর মহল কিন্তু যথেষ্ট বিব্রত এই অযথা এই ট্যুইট কোলাহলে। কারন বামপন্থীদের এই সৌজন্য সুবিদিত। এই সৌজন্যের বড্ড অভাব এখনকার রাজনীতি তে। এই সৌজন্য বেড়ে চলুক, একটা সত্যিকারের নতুন ভারত গড়ে উঠুক!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*