প্রাইমারি নিয়োগ, আর কত ঝোলাবে সরকার! একযোগে আত্মহত্যার হুমকি চাকরি প্রার্থীদের।

পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি বেড়িয়েছিল ২০০৯ সালে। লিখিত পরীক্ষা হয় ২০১০ সালে তবে ফল প্রকাশ হয়নি।

এরপর আসে পরিবর্তনের সরকার, মা মাটি মানুষের সরকার। দীর্ঘ টালবাহানার পর ২০১৪ সালের ২রা মার্চ আবার পরীক্ষা হয়।
একদিকে অবস্থান বিক্ষোভ অন্যদিকে আদালত অবমাননার মামলা! জোড়া ফলায় বিদ্ধ রাজ্য।
২০১৫ সালে সেই পরীক্ষার ফলপ্রকাশ হয়ে ইন্টারভিউ হয়। কিন্তু তারপরে ২ বছর কেটে গেলেও ১৩০০জনেরও বেশি চাকরি প্রার্থীর নিয়োগের আজও হয়নি। দিনের পর দিন অনশন, ঘেরাও কর্মসূচী চালিয়েও কোনো লাভ হয়নি। আর তাই এবার নিজেদের জীবন শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিল পরীক্ষার্থীরা।
ন্যায্য অধিকারের লড়াই তে চাকরি প্রার্থীরা পাশে পেলেন ‘সুজন’ কে।
গতকাল মালদার ডিপিএসসি ঘেরাও করে দ্রুত নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন ২০০৯ সালের টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা। চেয়ারম্যান আশিস কুন্ডুকে ঘেরাও করে বিকেল প্রায় সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচী চলে। বিক্ষোভে উপস্থিত এক চাকরি প্রার্থী জানান, “এতদিন পর্যন্ত নিয়োগে বাধা সৃষ্টি করছিল আদালতে ঝুলতে থাকা মামলা গুলো। কিন্তু সেই মামলা তুলে নেওয়ার পরেও অবস্থা তথৈবচ। এদিকে দিনের পর দিন বেকার অবস্থায় থেকে হতাশায় ভুগছেন প্রার্থীদের একটা বড় অংশ। তাই শেষ অবধি বঞ্চনার জ্বালা সহ্য করতে না পেরে প্রতিবাদ স্বরূপ এই আত্মহননের পথকেই আমরা বেছে নিচ্ছি”। এদিকে চেয়ারম্যান আশিস কুন্ডুর কথায়, মামলা উঠে যাওয়া নিয়ে আদালত রাজ্যের শিক্ষা দপ্তরকে কিছু জানায়নি। তাই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে পারছেন না তারা!

এখন প্রশ্ন হচ্ছে আদালত এবং রাজ্যের এই টানাপোড়েনের জেরে পিষ্ট হচ্ছে রাজ্যের অসংখ্য বেকার চাকরি প্রার্থীর ভবিষ্যতের স্বপ্ন। কবে মিলবে চাকরি? কবে পূরণ হবে তাদের স্বপ্ন?

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*